নবাবগঞ্জে বোরো ধানে বিষ ছিটিয়ে লক্ষাধিক টাকার ধান বিনষ্ট | দিনাজপুর বার্তা ২৪ | Dinajpur Barta 24

দিনাজপুর বার্তা ২৪ | Dinajpur Barta 24

ব্রেকিং নিউজ
নবাবগঞ্জে বোরো ধানে বিষ ছিটিয়ে লক্ষাধিক টাকার ধান বিনষ্ট
দিনাজপুর বার্তা এপ্রিল ২৬, ২০২১, ৩:২৪ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে ১৩০ বার |

নবাবগঞ্জ সংবাদদাতা ॥ দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে বিষ ছিটিয়ে ধানের ক্ষেতের ক্ষতিসাধন করার অপরাধে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল হয়েছে। জানা গেছে, উপজেলার হাতিশাল আমলাগাড়ী গ্রামের কৃষক সাইদুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন জিয়াগাড়ী মৌজায় ১৫৬ দাগে ৪১ শাতাংশ ও আমলাগাড়ী মৌজায় ২৫ শতাংশ মোট ৬৬ শতাংশ জমিতে থাকা ধান বাড়তি সেচ দিয়ে ফসলটি যখন ধান বের হওয়া শুরু করেছে ঠিক সে সময় পূবর্ শত্রুতার জেরকে কেন্দ্র করে রাতের আঁধারে স্প্রে করে ধানের গাছ ক্ষতি করে।
দিনের বেলায় রোদের কারনে ধানের গাছগুলো রং বিবর্ণ হয়ে মরে যাচ্ছে। এ ঘটনায় কৃষক সাইদুল ইসলাম হাতিশাল আমলাগাড়ী গ্রামের আরিফুল ইসলাম (৩৫) সহ ০৫ জনকে অভিযুক্ত করে নবাবগঞ্জ থানায় অফিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, বিবাদীদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। ওই বিরোধের জের ধরে তার জমির ফসল নষ্ট করার হুমকি দিয়ে আসছিল। তাদের দ্বারাই এমন ক্ষতি হতে পারে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এতে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ধানের ক্ষতিসাধন হয়েছে। এ ঘটনায় নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন সহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান। কৃষক সাইদুল ইসলাম জানান, তার নামে নিজস্ব কোন জমি নেই ওই গ্রামের সিরাজুল ইসলামের জমি বর্গা নিয়ে অতি কষ্টে ফসল ফলিয়েছিল। বর্তমানে ধান পুড়ে যাওয়ায় পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করবেন তিনি। তার আত্মীয় সেকেন্দার আলী জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে সরকারি ভাবে প্রণোদনা অথবা আর্থিক সাহায্য করা হলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারটি উপকৃত হবে। এবিষয়ে অভিযুক্ত আরিফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান রাতের আঁধারে কে বা কারা বিষ ছিটিয়ে ধান পুড়িয়ে দিয়েছে। তা তিনি জানেন না। তিনি ওই অভিযোগের সাথে জড়িত নয় বলে জানান।

এই পাতার আরো খবর -
১৮ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
দিনাজপুর, বাংলাদেশ
ওয়াক্তসময়
সুবহে সাদিকভোর ৩:৫৩ পূর্বাহ্ণ
সূর্যোদয়ভোর ৫:১৯ পূর্বাহ্ণ
যোহরদুপুর ১২:০২ অপরাহ্ণ
আছরবিকাল ৪:৪৪ অপরাহ্ণ
মাগরিবসন্ধ্যা ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
এশা রাত ৮:১১ অপরাহ্ণ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকীয়