দিনাজপুর বার্তা ২৪ | Dinajpur Barta 24

ব্রেকিং নিউজ
মুক্তিযুদ্ধে দিনাজপুরের শহীদ আজও ফিরেননি কারমাইকেলের অধ্যাপক শাহ মোঃ সোলাইমান
মোফাচ্ছিলুল মাজেদ জানুয়ারি ২১, ২০২১, ৮:৪৯ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে ১০৮ বার |

-আজহারুল আজাদ জুয়েল-

কারমাইকেলে শিক্ষকতা। দিনাজপুর শহরে বসবাস। সৎ, শক্ত, নীতিপরায়ন ও আদর্শিক। এমন একজন মানুষকে ধরে নিয়ে যাওয়া হলো ‘ক্যাপ্টেন সাহেব বাত ক্যারেঙ্গা’ বলে। তারপর আর ফিরে এলেন না তিনি। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি আসতে চলেছে। তিনি যে আর কখনো ফিরবেন না, তা বুঝেছেন পরিবারের সবাই।
একাত্তরের শহীদ অধ্যাপক শাহ মোঃ সোলাইমান। দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষিকা রোকাইয়া খাতুনের স্বামী, দিনাজপুর সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস শাহ ইয়াজদান মার্শাল ও বিশিষ্ট আইনজীবী শাহ দোরখ শান এর পিতা। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে এই শহীদের সাথে আরো দুইজনকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, যাদের একজনের নাম ডা. শাহ মো. মোসলেম দীন, কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সার্জন ছিলেন। অন্যজনের নাম হাবিবুর রহমান, পাবনা এডয়ার্ড কলেজের প্রফেসর। হাবিবুর রহমান সৌভাগ্যবশত ফিরে আসতে পারলেও প্রফেসর শাহ সোলায়মান ও সার্জন ডা. শাহ মোসলেম দীন ফিরতে পারেননি। ফিরতে দেয়া হয় নাই।
শহীদ প্রফেসর শাহ মোঃ সোলাইমানের জন্ম বোচাগঞ্জ উপজেলার ছাতইলে। পিতার নাম শাহ মোহাম্মদ কবির । মায়ের নাম জমিরন নেসা। ছাতইল পাঠশালায় প্রাথমিক শিক্ষা লাভের পর নওগাঁ জেলার নওগাঁ আলিয়া মাদ্রাসায় জায়গীর থেকে আরবী লাইনে লেখাপড়া করেন কয়েক বছর। পরে কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসায় উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা লাভ করেন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির আগেই আলিগড় বিশ^বিদ্যালয় হতে উর্দুতে এমএম এবং পাকিস্তান সৃষ্টির পর ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় হতে উর্দু ও ফার্সিতে এমএ পাস করেন। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে দৈনিক সংবাদের বিশ^বিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকতা করার অভিজ্ঞতাও অর্জন করেন।
শাহ মোঃ সোলাইমান অধ্যাপক মোজাফফরের নেতৃত্বাধীন ন্যাপের রাজনীতি করতেন, তবে বেশি সক্রিয় কখনো ছিলেন না। দিনাজপুরের বাম নেতা অ্যাডভোকেট আমানুল্লাহ সরকারের সাথে ন্যাপের বিভিন্ন কর্মসুচিতে যেতেন। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষে কাজও করেছেন। ঐ নির্বাচনে দিনাজপুর জেলার প্রায় সবগুলো সংসদীয় আসনে যুক্তফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী জয়লাভ করেছিল এবং তৎকালিন পাকিস্তান সরকার সমর্থিত পিডিবি’র প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছিল। বিরল-বোচাগঞ্জ এলাকায় পিডিবি’র পক্ষে যারা তৎপর ছিলেন তাদের অন্যতম হলেন রিয়াজুল ইসলাম, যিনি বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিরল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে তৎপর এই রিয়াজুলের ইশারায় অনেককে হত্যা ও নির্যাতন করার অভিযোগ আছে। শহীদ শাহ সোলায়মানের পুত্র শাহ ইয়াজদান মার্শাল মনে করেন, ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের প্রতিশোদ নেয়ার জন্য রিয়াজুল ইসলামই তার পিতাকে পাকিস্তানি সেনাদের দ্বারা হত্যা করিয়েছেন।
শাহ সোলায়মান ১৯৫৬ সালে দিনাজপুরের সুরেন্দ্রনাথ কলেজে অধ্যাপনার মধ্য দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। এই কলেজ পরে দিনাজপুর সরকারি কলেজ নামে রুপান্তরিত হলে সেখানেও অধ্যাপনা করেন। ১৯৬৮ সালে কারমাইকেল কলেজে বদলী হন। একাত্তরের মার্চ মাসের উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কলেজ ছেড়ে দিনাজপুর শহরে গনেশতলার বাসায় আসেন। কিন্তু বিহারিদের অত্যাচারের মাত্রা বেড়ে গেলে এপ্রিলের ৭-৮ তারিখে পরিবারের সবাইকে নিরাপত্তার স্বার্থে ক্ষেত্রিপাড়ায় জনৈক নূর চৌধুরীর বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। রাতের বেলা তিনি নিজ বাড়িতে থাকলেও দিনে ক্ষেত্রিপাড়ায় আসা-যাওয়া করেন। এভাবে ৪-৫ দিন চলে। এরপর পরিস্থিতির অবনতিতে তিনি পরিবারের সবাইকে নিয়ে প্রথমে মাঝাডাঙ্গায়, পরে নিজ গ্রাম বোচাগঞ্জের ছাতইলের বাড়িতে গিয়ে উঠেন।
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ১৪ এপ্রিল দিনাজপুর শহর দখল করে নেয়। এরপর গ্রাম-গঞ্জেও ছড়িয়ে পড়ে। তাদের ভয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ইন্ডিয়ায় আশ্রয় নিতে থাকেন। অধ্যাপক শাহ সোলাইমানও ইন্ডিয়া যাওয়ার কথা ভাবতে থাকেন। সেখানে গেলে কোথায় থাকা যেতে পারে তার একটি ধারণা পাবার জন্য একদিন বড় ছেলে মার্শালকে নিয়ে সীমান্ত পার হয়ে রায়গঞ্জে যান। ফেরার পথে বাংলাদেশের মানুষ সম্পর্কে সেখানকার কিছু লোকের বিরুপ মন্তব্যের কারণে সিদ্ধান্ত নেন যে, বাঁচলে নিজ দেশে বাঁচবেন, মরলে নিজের দেশেই মরবেন।
নিজ দেশে থাকাই কাল হলো অধ্যাপক শাহ সোলায়মানের জন্য। ১৯৭১ সালের ৭ মে সকাল ৭-৮টার দিকে ২৫-৩০ জন খান সেনা ছাতইল গ্রামের এক দিক দিয়ে ঢুকে আরেক দিক দিয়ে ‘হিয়া কোই হিন্দু হ্যায়, হিয়া কোই হিন্দু হ্যায়’ বলে বের হয়ে যায়। এরপর তারা ছাতইল সংলগ্ন জংলীপীর এলাকায় জনৈক ডা. আজিজের বাসায় চা-নাস্তা খায়। আজিজ পিডিবি সমর্থক ও স্বাধীনতা বিরোধী ছিলেন। হানাদার বাহিনী সম্ভবত রাজাকার আজিজের কাছ থেকেই কোন মন্ত্রণা পেয়ে আবারো ছাতইলে ফিরে গিয়ে গ্রাম থেকে ‘ক্যাপ্টেন সাহেব বাত ক্যারেঙ্গা’ বলে অধ্যাপক শাহ সোলাইমান, কুড়িগ্রামের সার্জন ডা. শাহ মোসলেমউদ্দীন, এডয়ার্ড কলেজের প্রফেসর হবিবর রহমানকে ধরে নিয়ে যায়।

অধ্যাপক শাহ মো: সোলাইমানসহ নাম না জানা শহীদদের গণ কবর

হাবিবুর রহমান পরদিন সকালেই বাড়িতে ফিরেন। কিন্তু সোলাইমান ও মসলেম ফিরতে পারেন নাই। তাঁদের সন্ধানও পাওয়া যায় নাই। শহীদ সন্তান শাহ ইয়াজদান মার্শাল বলেন, হাবিবুর রহমান ফিরে আসার পর আমরা তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, বাবার কি খবর। তিনি জানিয়েছিলেন, বাবা এবং বাবার ভাগেন ডা. মোসলেম ভাল আছেন, ক্যাম্পে আছেন। পরে শুনেছি, তিনজনকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় পাকিস্তানি সেনারা তেমন কোন খারাপ ব্যবহার না করলেও চোখ বেঁধে রেখেছিল। তাদেরকে ছাতইল হতে বিরল উপজেলার পাকুড়া ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়ার প্রথমাবস্থায় চোখ খোলা ছিল। কিন্তু পথে পিডিবি নেতা রিয়াজুল ইসলামের সাথে খান সেনাদের দেখা ও কথা হয়। তার সাথে কথা বলার পরে হানাদার বাহিনী তিনজনের চোখ কাপড় দিয়ে বেঁধে ফেলে এবং চোখ বাঁধা অবস্থায় বিরল উপজেলার পাকুড়া ক্যাম্পে নিয়ে যায়। তাদেরকে সেখানেও সারা রাত চোখ বেঁধে রাখা হয়েছিল। সকালে রহস্যজনকভাবে হাবিবুরকে ছেড়ে দিয়ে শাহ সোলায়মান ও শাহ মোসলেমকে গোপালপুর নামক স্থানে রেলক্রসিংয়ের কাছে একটি হাফট্রেনে (কুশালবাহি ট্রেন) তুলে দেয়া হয়েছিল। ট্রেনটিতে আরো ১০-১২ জন ছিল। যাদের সবাইকে পরে গোপালপুরেরই একটি নয়নজলিতে ব্রাশফায়ারে হত্যা করা হয়েছিল।
শাহ ইয়াজদ্যান মার্শাল বলেন, যুদ্ধের পর আমরা বাবকে অনেক খুঁজেছি, পাইনি। তাঁর শেষ পরিণতি সম্পর্কেও জানতে পারিনি। অনেক পরে আকিমুদ্দিন নামের একজন রাজাকার, যার বাড়ি বিরল উপজেলার গোপালপুরে এবং সম্পর্কে আমাদের ভাগিনা হন, তিনি তার মৃত্যুর প্রায় দুই বছর আগে হঠাৎ করে আমাকে জানিয়েছিলেন যে, আমার বাবা ও ডা মোসলেম দীনসহ ১১-১২ জনকে গোপালপুরের একটি নয়নজলিতে একসাথে ব্রাশ ফায়ারে হত্যা করা হয়েছে। নিহতদের প্রত্যেকের চোখ বাঁধা ছিল। পাকিস্তানি সেনারা গণহত্যা ঘটিয়ে চলে যাওয়ার পর গ্রামের লোকজন লাশগুলোকে নয়নজলি থেকে তুলে একটি গোবর ফেলা খালে মাটিচাপা দিয়েছিল। গোবড় ফেলা খাদ এলাকার মালিক ছিলেন আব্দুস সামাদ নামের একজন কৃষক যিনি একজন মুক্তিযোদ্ধার ভাই ছিলেন। স্বাধীনতার পর তিনি ঐ খাদে অসংখ্য হাড়-হাড্ডি পেয়ে খাদটি বন্ধ করে দিয়েছিলেন এবং সেখানে আবাদ করাও ছেড়ে দিয়েছিলেন।
শাহ ইয়াজদান মার্শালের মতে, রাজাকার আকিমুদ্দিন বর্তমানে বেঁচে নেই, তবে তার দেয়া তথ্য তার কাছে বিশ^াসযোগ্য হয়েছিল। সেখানে বাবার লাশ আছে ধরে নিয়ে তিুিন আব্দুস সমাদের কাছ থেকে গণহত্যার সেই জায়গাটি কিনে নিয়েছেন এবং বধ্যভূমিটি সংরক্ষনের ব্যবস্থা করেছেন।
বিরলের জগতপুর কলেজের শিক্ষক ফরহাদুল ইসলাম ‘পাকুড়া গণহত্যা’ নামের একটি গ্রন্থ লিখেছেন যা এখনো অপ্রকাশিত রয়েছে। অপ্রকাশিত ঐ গ্রন্থ থেকে জানা যায় যে, বিরল উপজেলার ৬নং ভান্ডারা ইউনিয়নের পাকুড়া গ্রামটির বেশির ভাগ মানুষ পাকিস্তান পন্থী ছিলেন। ঐ গ্রন্থে শাহ্ ইয়াজদান মার্শাল (৬০) এর একটি সাক্ষৎকার রয়েছে। প্রাসঙ্গিক হওয়ায় সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো;
একাত্তরে আমি ক্লাশ ফাইভ পাশ করে সিক্সে উঠেছি। ৭ মে ১৯৭১ ভোরবেলা পাকিস্তানী সেনাবাহিনী আমাদের গ্রামে গিয়ে হিন্দুদের খোঁজ করে এবং বাবাকেও খোঁজে। কিছুক্ষণ পর তারা আমাদের বাসা থেকে ১/২ কি:মি: দূরে আজিজ ডাক্তার নামে মুসলিম লীগ নেতার বাড়িতে যায় এবং চা, বিস্কুট খায়। এরপর সেখান থেকে ফিরে তারা আবার আব্বাকে খোঁজে এবং বলে যে, বন্দুক কোথায় হ্যায়? তারা বলে যে বন্দুকটা জমা দিতে হবে। তারা আমার আব্বাকে বলেন যে, চিন্তার কিছু নেই। বন্দুক জমা দিয়ে আপনি ফিরে আসবেন। আমার আব্বা উর্দুর প্রফেসর ছিলেন এবং
স্ত্রী রোকাইয়া খাতুনের সাথে শহীদ অধ্যাপক শাহ মোঃ সোলাইমান

উর্দুসহ তিনটি বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেছিলেন। তখনকার দিনে আমাদের এলাকায় আব্বাই প্রথম গ্রাজুয়েট। তার ধারণা ছিল, যেহেতু তিনি উর্দুর প্রফেসর এবং অনবরত উর্দু ভাষায় কথা বলতে পারেন, সেহেতু তাকে হয়ত মেরে ফেলবে না। কিন্তু সমস্যাটা হলো স্থানীয় মুসলিম লীগ নেতারা। তাঁরা জানতেন, ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে আব্বা যুক্তফ্রন্টের পক্ষে কাজ করেছেন। তখন থেকেই মুসলিম লীগের লোকজন হয়ত আব্বার উপর মনক্ষুন্ন ছিল। সে কারণেই তারা পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর হাতে আব্বাকে তুলে দিয়েছিল।
আব্বাকে যখন ধরে নিয়ে যায় তখন তার সঙ্গে আমার এক সম্পর্কীয় দুলাভাই ডা: শাহ মসলেম দীন এবং আরেকজন সাথে ছিলেন হবিবর রহমান। ভাগ্যক্রমে হবিবরকে খানসেনারা ছেড়ে দেয়। হবিবর আমাদেরকে জানিয়েছিলেন যে, নাড়াবাড়ী পর্যন্ত তাদের সঙ্গে খানরা তেমন কোন খারাপ ব্যবহার করেনি। কিন্তু নাড়াবাড়ী হাটে খান সেনাদের সাথে গাড়ী থামিয়ে এ এফ এম রিয়াজুল ইসলাম চৌধুরী কি যেন শলাপরামর্শ করেন। এরপর আমাদের চোখ বেঁধে ফেলে। তারপর অনেক খোজাখুজির পর আব্বার আর কোন সন্ধান পাইনি।
মুক্তিযুদ্ধের কয়েক বছর পর আমাদের এক আত্মীয় রাজাকারের সঙ্গে অনেক কাকুতি মিনতি করে জানতে পারি যে, ঐ রাজাকারের চোখের সামনেই পাঁকুড়ার পাশে গোপালপুর রেললাইনের ধারে আরো ১২-১৩ জনের সঙ্গে আমার আব্বা ও দুলাভাই ডা: শাহ মসলেম দীনকে খানসেনারা হত্যা করে একটি গবরের ধাপের গর্তে মাটিচাপা দেয়। এভাবেই আমরা আব্বার কবরের সন্ধান পাই। পরবর্তীতে আমি জমির মালিককে অনেক অনুরোধ করে ১ শতক জমি ক্রয় করে গণকবরটি ঘিরে রাখি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে।

আজহারুল আজাদ জুয়েল,
সাংবাদিক, কলামিষ্ট, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক

এই পাতার আরো খবর -
৮ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
দিনাজপুর, বাংলাদেশ
ওয়াক্তসময়
সুবহে সাদিকভোর ৫:০৭ পূর্বাহ্ণ
সূর্যোদয়ভোর ৬:২৩ পূর্বাহ্ণ
যোহরদুপুর ১২:১৬ অপরাহ্ণ
আছরবিকাল ৪:৩১ অপরাহ্ণ
মাগরিবসন্ধ্যা ৬:১০ অপরাহ্ণ
এশা রাত ৭:২৭ অপরাহ্ণ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকীয়