দিনাজপুর বার্তা ২৪ | Dinajpur Barta 24

ব্রেকিং নিউজ
পঞ্চগড়ে কুমার পাড়ায় বৈশাখী ব্যস্ততা
মোফাচ্ছিলুল মাজেদ এপ্রিল ৮, ২০১৮, ১:০৫ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে ২,৪০৯ বার |

মো: একরামুল মুন্না,
পঞ্চগড় প্রতিনিধি: আর কয়েকদিন পরেই পহেলা বৈশাখ। বাঙালীর প্রাণের উৎসব। এ মাস এলেই কর্ম ব্যস্ততা বেড়ে যায় কুমার পাড়ায়। বৈশাখকে কেন্দ্র করেই তারা মৃত শিল্প তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে ওঠে। সারা বছরের মধ্যে তাদের উল্লেখ যোগ্য আয় হয় এ মাসেই। বৈশাখ এলে বাঙালীর বাঙালিয়ানা জিনিসের প্রতি একটু বেশী ঝুঁকে পরে। তাই কদর বাড়ে মাটির তৈরি জিনিস পত্রের। সে দিকে লক্ষ রেখেই কুমাররাও প্রস্তুত হতে থাকে। পঞ্চগড় উপজেলার মীরগড় মালিপাড়া, কাজীপাড়া, ডাঙ্গুয়া মার্কেট এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কুমাররা বর্তমান হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করছে মৃত শিল্প তৈরিতে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নারী-পুরুষ সবাই মিলে তৈরি করছে নানা রকমের জিনিস পত্র। সাংসারিক জিনিস পত্রের পাশা-পাশি তারা শিশুদের উপযোগী খেলনা হাতি, ঘড়া, পুতুল, ব্যাংক, হাঁস, বাঘ, হরিণ, কুমির, আম, লিচু, পাখি, কাঁঠাল,মাছ, হাড়ি-পাতিল সেট, কলসি, ফুলের টপ থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস।
পঞ্চগড় উপজেলার কুমাররা জানায় প্রায় ৪০টি পরিবার এ পেশার সাথে জড়িত রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা এ পেশা থেকে জীবিকা নির্বাহ করছে। সারা বছর মাটির জিনিসের তেমন চাহিদা থাকেনা কিন্তু বৈশাখে বিভিন্ন মেলায় এর চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। বাড়ির গৃহ বধু, বৃদ্ধ, পুরুষ এমনকি শিশুরাও এ সময় ব্যস্ত হয়ে ওঠে মাটির জিনিস তৈরিতে। তাছাড়া আগে মাটি আশ পাশেই পাওয়া যেত, টাকা লাগত না কিন্তু এখন মাটি কিনতে হচ্ছে বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চল থেকে।
পঞ্চগড় উপজেলার মীড়গর মালিপাড়ার ধরিন্দ্র পাল, কাজী পাড়া ডাঙ্গুয়া মার্কেট এলাকার জয়রাম কুমার জানান, আমাদের এ এলাকায় আগে আরো অনেক পরিবার ছিল, যারা এ শিল্পের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করত: কিন্তু এখন আর কেউ এ ব্যবসায় থাকতে চায়না। এতে পরিশ্রম বেশী লাভ কম, হাতে গুনা কয়েকটি পরিবার এ পেশা ধরে রেখেছে। সামনে বৈশাখ তাই আমাদের ব্যস্ততা বেড়ে গেছে দিন রাত কাজ করতে হচ্ছে। বৈশাখ মেলা আমাদের আয়ের বড় উৎস।

এই পাতার আরো খবর -
৬ই অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
দিনাজপুর, বাংলাদেশ
ওয়াক্তসময়
সুবহে সাদিকভোর ৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ
সূর্যোদয়ভোর ৫:৫৯ পূর্বাহ্ণ
যোহরদুপুর ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
আছরবিকাল ৪:০৯ অপরাহ্ণ
মাগরিবসন্ধ্যা ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
এশা রাত ৭:০৫ অপরাহ্ণ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদকীয়